মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

৪৬২ টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন, গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে পল্লী বিদ্যুৎ


প্রকাশন তারিখ : 2020-12-13
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবনী উদ্যোগ “ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকারকে সামনে রেখে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড তথা আরইবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে আরইবির আওতাধীন ৪৬২টি উপজেলার গ্রীডভূক্ত এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ২৮৮টি উপজেলার শতভাগ বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধন হয়েছে এবং অবশিষ্ট ১৭৩ টি উপজেলা বিজয়ের মাসেই শুভ উদ্বোধনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ শক্তিকে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এ সংস্থার মোট গ্রাহক সংখ্যা ০৩ কোটি ০৩ লক্ষ, যা জাতীয় গ্রাহক সংখ্যার (৩ কোটি ৮২ লক্ষ) প্রায় ৮০ %। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠার পর হতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরে মাত্র ৭৪ লক্ষ গ্রাহককে সংযোগ প্রদান করা হয়েছিল। অপরদিকে, বর্তমান সরকারের আমলে ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মাত্র পৌনে ১২ বছরে ২ কোটি ২৯ লক্ষ গ্রাহক সংযোগ প্রদান করা হয়েছে অর্থাৎ ২০০৮ সাল পর্যন্ত যেখানে পল্লী অঞ্চলের মাত্র ২৭% জনগণ বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করত সেখানে বর্তমানে ৯৯% জনগণ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। দুর্গম, প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে অবস্থিত অফগ্রিড ০১ টি উপজেলাসহ (পটুয়াখালির রাঙ্গাবালি) ১০৫৯ টি গ্রামে চলমান শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। পল্লী বিদ্যুতের শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমে এই অঞ্চলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করায় বিদ্যুৎ সুবিধা পেতে যাচ্ছে এই প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ২.৪০ লক্ষ গ্রাহক। ফলশ্রুতিতে, বিদ্যুৎ পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র অফগ্রিড উপজেলা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালিতেও। উক্ত ১০৫৯ টি গ্রামে ৩ টি ধাপে এ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
 
১ম ধাপের ৬৪৬ টি গ্রাম তুলনামূলকভাবে কম প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এগুলোতে চলমান বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। এর বাইরে ২৯ টি অতি দুর্গম গ্রাম বাদে বাকি ৩৮৪ টি গ্রামে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম চলমান। এই ১০৩০ টি গ্রাম সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। আর অবশিষ্ট ২৯ টি গ্রাম যেগুলো কিনা বেশিরভাগই দুর্গম পাহাড়ি, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলে অবস্থিত, সেখানে সোলার মিনিগ্রিডের মাধ্যমে মুজিববর্ষেই বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে আরইবি বদ্ধপরিকর।
অর্থাৎ, আরইবির “সেবা বর্ষ” হিসেবে ঘোষিত মুজিববর্ষেই ১০০% মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা সম্ভবপর হবে। তবে, শুধুমাত্র শতভাগ বিদ্যুতায়ন করেই আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, বাণিজ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, আইসিটি ইত্যাদি ক্ষেত্রসমূহের প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সুখী, সমৃদ্ধ “সোনার বাংলা” বিনির্মাণের লক্ষ্যে আরইবি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে চলেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করছে।
 
পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুতায়নের ফলে নতুন নতুন পোলট্রি খামার, মৎস্য খামার, ডেইরী খামার, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প, কল-কারখানা, কুটির শিল্প, তাঁত শিল্প, ছোট-বড় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি গড়ে উঠছে। আরইবি ইতোমধ্যে প্রায় ১.৮০ লক্ষ ক্ষুদ্র শিল্প কারখানা, ১৩,৫০০ টি মাঝারি শিল্প কারখানা, ৩৭৫ টি বৃহৎ শিল্প কারখানায় এবং ০৮ টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করেছে । ফলে, এসব প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে। সেখানে গ্রামের বেকার যুবক-যুবতীরা কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন বেকারত্ব হ্রাস পাচ্ছে, অন্যদিকে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আরইবি কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে বিদ্যুতায়িত শিল্পে অবিদ্যুতায়িত শিল্প অপেক্ষা ১১ গুণ বেশি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
কৃষিখাতের বিকাশকল্পে বর্তমানে ৩.৫৩ লক্ষ সেচ গ্রাহকের মাঝে আরইবি কর্তৃক বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্য

মে দেশের প্রায় ৫৫.৫৬ লক্ষ হেক্টর জমি সেচের আওতায় এসেছে এবং এতে দেশে খাদ্য উৎপাদন ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে। কৃষিখাত যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে খাদ্যশস্যসহ বিভিন্ন শস্যের বহুমুখীকরণ সম্ভব হয়েছে। কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে সেচ নীতিমালা সহজীকরণ হয়েছে। ডিজেল চালিত যন্ত্রপাতি অপেক্ষা বিদ্যুৎ চালিত যন্ত্রপাতি অধিক কার্যকর এবং ১০ গুণ বেশি চাষাবাদ সম্ভব। বিদ্যুৎ সুবিধার ফলে পল্লী এলাকার উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর বাজার ব্যবস্থাপনায় উন্নতি সাধিত হয়েছে। অধিকন্তু, দেশের খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত কৃষি পণ্য বিদেশেও রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। এভাবে, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়নে আরইবি অসামান্য ভূমিকা রেখেছে।

অন্যদিকে, বিদ্যুৎ সুবিধা গ্রাম বাংলায় সম্প্রসারণের ফলে গ্রামীণ জনমানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। আধুনিক বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি (লাইট, টিভি, রেফ্রিজারেটর, এয়ারকন্ডিশনার প্রভৃতি) ব্যবহার করে মানুষ আধুনিক নাগরিক সুবিধাদি ভোগ করছে। ফলে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার “আমার গ্রাম -আমার শহর” বাস্তবায়নের কাজ তরান্বিত ও সহজতর হচ্ছে। এছাড়াও, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত “আশ্রয়ণ প্রকল্পের” আওতায় ভূমিহীন, গৃহহীন অসহায় জনগণকে পুনর্বাসিত করার জন্য ১,১৯২টি প্রকল্প-গ্রামে ৮৫,৫৭০টি পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।
পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত অসহায়, গরিব, দুঃস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্য স্থাপিত প্রায় ১৪,০০০ কমিউনিটি ক্লিনিকের সবগুলোতেই আরইবি’র উদ্যোগে পবিস-এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের ফলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, মৃত্যু ঝুঁকি হ্রাস পাচ্ছে তথা গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া, সরকারী ও বেসরকারী ১৯৯৩টি হাসপাতালেও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এতে গ্রামীণ চিকিৎসা সেবা সূলভ ও সহজতর হচ্ছে।
গ্রামাঞ্চলের সর্বত্র নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা সম্প্রসারিত হওয়ায় সরকার কর্তৃক গ্রামে বসবাসরত জনগণের তথ্য ও সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৪,৫৫৪ টি ইউনিয়ন পরিষদ Digital Information Centre (DIC) স্থাপন করা হয়েছে। আরইবি কর্তৃক এই Digital Information Centre (DIC) গুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের ফলে জনগণের দোরগোড়ায় তথ্য ও সেবা প্রাপ্তির জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এতে গ্রামের জনগণের তথ্য ও সেবা প্রাপ্তি সহজ হয়েছে এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সমগ্র দুনিয়ার সকল কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ৫৬,১৭২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২,৫১,২৮৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের কারণে কম্পিউটার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও অন্যান্য আধুনিক উপকরণ ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুৎ সুবিধার ফলশ্রুতিতে পল্লী জনপদের ব্যাপক জনগোষ্ঠী মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে। গ্রামের শিক্ষার্থীরা শহরের আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির যোগাযোগ মাধ্যমে (টেলিভিশন, ইন্টারনেট, মোবাইল, ইলেকট্রনিক মিডিয়া) দেশ ও বর্হিবিশ্বের সকল বিষয়ে জ্ঞাত হওয়া ও হালনাগাদ থাকার সুযোগের কারণে তাদের অধিকার বোধ, করণীয়, বর্জনীয় প্রভৃতি বিষয়ে অবগত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে; যার ফলে সামাজিক কুসংস্কার, গোঁড়ামী, অনাচার প্রভৃতির ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। কাজেই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক অবক্ষয় হ্রাসকরণ এবং সামগ্রিকভাবে জাতীয় রাজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম ইতিবাচক প্রভাব রাখছে।
দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠানিক এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা (social/corporate responsibility) থেকে আরইবি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার “তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আরইবি “মুজিববর্ষ” এ যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা প্রদানের লক্ষ্যে ২3,1০০ জন বেকার যুবককে বিভিন্ন ভোকেশনাল/কারিগরী প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট ৫৭,৬২০জন বেকার যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। অধিকন্তু, “গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে বিদ্যুৎ শক্তি” শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে নারীর কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং নারী উদ্যোক্তা তৈরীর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এতদুদ্দেশ্যে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, জিওবি ও আরইবির অর্থায়নে মোট ২৩ কোটি ৩ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ডিসেম্বর ২০২০ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হবে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ২,৭০০ জন কে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে; তন্মধ্যে, ৩০% নারী অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
নবায়নযোগ্য জ্বালানী, বিশেষত সৌরশক্তির ব্যবহার প্রসারের ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) বাংলাদেশে পথিকৃৎ। ১৯৯৩ সালে একটি প্রকল্পের আওতায় ১৫,২৫০টি সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে আরইবি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের সূচনা করে। বাংলাদেশে প্রথম সর্ববৃহৎ ৪৯ কিলোওয়াট পিক রুফটপ সোলার প্লান্ট আরইবি কর্তৃক স্থাপিত হয়। ১৫টি উপজেলার প্রত্যেকটিতে ৩০ কিলোওয়াট পিক সম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। আরইবি সর্বপ্রথম ৪০টি সোলার ইরিগেশন পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার করে সেচ পাম্পের ব্যবহার উৎসাহিত করেছে। বর্তমানে আরইবি ২০০০টি সোলার ইরিগেশন পাম্প স্থাপনের কাজ করছে; যা বর্তমান বিশ্বে এ ধরনের একক বৃহৎ প্রকল্প। গ্রীড বিদ্যুতের সাশ্রয় এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানীভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সরকার “নেট মিটারিং” সিস্টেম চালু করেছে। আরইবি-এর তত্ত্বাবধানে ২৫টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে এ পর্যন্ত ২০৪টি নেট মিটারিং স্টেশন স্থাপিত হয়েছে; যার সর্বমোট সোলার সিস্টেমে স্থাপিত ক্ষমতা ১০.০৯৪ মেগাওয়াট পিক। বাস্তবায়িত এবং বাস্তবায়নাধীন সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে এ সংস্থা প্রায় ৪১ মেগাওয়াট পিক বিদ্যুতের সংস্থান করেছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের “সোনার বাংলা” বিনির্মাণের লক্ষ্যে গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়্ন তথা ভিশন ২০২১ অর্জনপূর্বক ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, ২০৩০ সালের মধ্যে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, আধুনিক এবং টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসডিজি বাস্তবায়ন করে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার দৃপ্ত শপথ নিয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) তার ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সারা দেশে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

Share with :

Facebook Facebook